যে খাবারগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখবে ডায়াবেটিস

0
614

ডায়াবেটিসের সমস্যা এখন ঘরে ঘরে। এটি একটি বিপাকীয় প্রক্রিয়া সংক্রান্ত ব্যাধী। ডায়াবেটিসের ফলে দেহ পর্যাপ্ত পরিমাণে ইনসুলিন উৎপাদনে অক্ষম হয়ে পড়ে। ফলে রক্তে সুগারের মাত্রা বেড়ে যায় অস্বাভাবিক হারে। এই রোগের ক্ষেত্রে সবচেয়ে দুর্ভাগ্যজনক বিষয়টি হল, ওষুধ, শরীরচর্চা এবং খাওয়া-দাওয়া নিয়ম মেনে করলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে বটে, কিন্তু তা কোনও ভাবেই পুরোপুরি নিরাময় করা সম্ভব নয়।

ডায়াবেটিস ধরা পড়লে প্রথমেই মিষ্টি জাতীয় খাবার বন্ধ করার কথা বলেন চিকিৎসকরা। একই সঙ্গে একেবারে বদলে যায় রোজকার রুটিন। চিকিৎসকের পরামর্শে ইনসুলিন ইনজেক্সনই হয়ে ওঠে একমাত্র ভরসা। তবে রোজ রোজ ইনসুলিন ইনজেক্সন না নিয়েও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন এই ঘরোয়া উপায়ে, একেবারে সামান্য খরচে। এমন চারটি খাবার রয়েছে যা খেলে রক্তে সুগারের মাত্রা থাকবে একেবারে নিয়ন্ত্রণে। আসুন জেনে নেওয়া যাক সেগুলি কী কী?

করলা: গবেষণায় দেখা গিয়েছে, করলার মধ্যে এমন উপাদান রয়েছে যা অ্যান্টি-ডায়েবেটিক এবং ইনসুলিন ইনজেক্সনের থেকেও বেশি কার্যকর। চিকিত্সকেরা বলছেন, কাঁচা করলা বা করলার রস নিয়মিত খেতে পারলে ডায়াবেটিসের সমস্যা থাকবে নিয়ন্ত্রণে।

গম: যাঁরা ডায়াবেটিসে ভুগছেন, তাঁদের জন্য গম খুবই উপকারী। আটার রুটি খেতে পারলে ডায়াবেটিসের সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

সবুজ শাক-সব্জি: চিকিৎসকদের মতে, যে কোনও সবুজ শাক, যেমন, পালং শাক, মুলো শাক ইত্যাদি রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষেত্রে খুবই উপকারী। যাঁরা ডায়াবেটিসে ভুগছেন, তাঁরা নিয়মিত সবুজ শাক-সব্জি খেতে পারলে ডায়াবেটিসের সমস্যা থাকবে নিয়ন্ত্রণে।

কুমরোর বীজ: ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের মধ্যে মিস্টি খাওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। এক্ষেত্রে সামান্য পরিমাণ কুমরোর বীজ রোদে শুকিয়ে নিয়ে নিজের সঙ্গে রাখতে হবে। যখনই মিষ্টি খেতে ইচ্ছে করবে, তখনই দু’-একটা কুমরোর বীজ মুখে রাখলে মিষ্টি খাওয়ার প্রবণতাও কমবে এবং একই সঙ্গে রক্তে সুগারের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here