সাবেক চার মার্কিন প্রেসিডেন্টের সমর্থন

0
96

গ্রামীণ টাইমস: যুক্তরাষ্ট্রে বিক্ষোভকারীদের সমর্থন জানিয়েছেন সাবেক চার মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেই সঙ্গে আমেরিকায় দমন-পীড়নের ব্যাপারেও তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

বুধবার দ্য কার্টার সেন্টারে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আমেরিকার প্রবীণতম জীবিত সাবেক প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের জাতিগত যে অবিচার দেখা যাচ্ছে তা খুবই বেদনাদায়ক।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা জাতিগত বৈষম্যের শিকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে রয়েছি। তবে এটাও ঠিক, সহিংসতা প্রতিবাদের কোনো মাধ্যম হতে পারে না।’

বৈষম্যের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জিমি কার্টার।

যারা আফ্রিকান আমেরিকান তরুণকে হত্যা করেছে, বুশ তাদের প্রতি নিন্দা জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে জর্জ ফ্লয়েড হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে যারা বিক্ষোভ করছেন, তাদের সমর্থনও জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘এখন আমাদের বক্তৃতা দেওয়ার সময় নয়। এখন সময় এসেছে আমাদের শোনার। আমেরিকার ব্যর্থতা যাচাই করার সময় এসেছে।’

শনিবার সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ক্ষোভ, হতাশা ও পরিবর্তিত মানসিকতার কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘জর্জ ফ্লয়েডের মতো মৃত্যু কারও কাম্য নয়। সত্যি কথা হলো, আমেরিকায় সাদা চামড়ার হলে এমন মৃত্যুর সম্ভাবনা কম।’

এসময় ক্লিনটন রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন রাখেন। বলেন, ‘জর্জ ফ্লয়েড যদি সাদা চামড়ার হতো, হাতকড়া পরা অবস্থায় যদি মাটিতে পড়ে থাকতেন, তবে তিনি কি আজ বেঁচে থাকতেন? কেন এটা ঘটতে থাকে?’

বারাক ওবামা দেশজুড়ে আন্দোলনকারীদের ব্যক্তিগতভাবে অভিনন্দন জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে আমেরিকায় দমন-পীড়নের ব্যাপারেও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

গত ২৫ মে মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যে জর্জ ফ্লয়েড নামে এক আফ্রিকান-আমেরিকানকে নির্যাতন করেন শ্বেতাঙ্গ পুলিশ অফিসার ডেরেক চাওভিন।

এক প্রত্যক্ষদর্শীর ধারণ করা ১০ মিনিটের ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, গলায় হাঁটু চেপে ধরায় ফ্লয়েড নিশ্বাস না নিতে পেরে কাতরাচ্ছেন। বারবার পুলিশ অফিসার চাওভিনকে বলছেন, ‘আমি নিশ্বাস নিতে পারছি না।’

এরপরই মিনেসোটায় শুরু হয় বিক্ষোভ। এখন এই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে পুরো আমেরিকায়। সূত্র: এবিসি নিউজ, ওয়াশিংটন পোস্ট

-এমএসআইএস

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here